Some Important Website

বাংলা প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট সমুহ

Friday, May 17, 2019

ইউটিউব থেকে আয় ২০১৯ A টু Z ।

আজকে আমরা জানবো কিভাবে একটা ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করা যায়।ইউটিউব হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম। ইউটিউব মানুষ বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করে

* কেউ ব্যবহার করে টাকা আয় করার জন্য।

* কেউ ব্যবহার করে জনপ্রিয়তা বা পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য।

*কেউ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক পরিচিতি বা বৃদ্ধির জন্য।

*কেউ ব্যবহার করে বিনোদন পাওয়ার জন্য।

* আরও বিভিন্ন ভাবে। 

 আপনার যা যা লাগবে ইউটিউব থেকে আয় করতে

১. ইউটিউব সম্পর্কে জ্ঞান

 এখন আপনি বলতে পারেন যে আমি কিসের জন্যে এই কথা বললাম হ্যা আপনি যদি ইউটিউব ‍থেকে টাকা আয় করতে চান তাহলে অবশ্যই ইউটিউব নিয়ম-নীতি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। যদি একজন গাড়ি চালক যদি রাস্তার নিয়ম-নীতি সম্পর্কে না জানে তাহলে তার একসিডেন্ট করার সম্ভবনাই বেশি। ইউটিউব এর নিয়ম-নীতি আছে আপনি চাইলেই যেকোন ভিডিও আপলোড দিতে পারবেন না আর অনেক কিছু। তাই আপনাকে ইউটিউব সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে হবে। 

২. একটা ইউটিউব চ্যানেল

একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা একদম সহজ। আপনার লাগবে একটা জি-মেইল আই ডি। জি-মেইল আই ডি যদি আপনার থাকে তাহলে তো হলই আর না থাকলে একটা জি-মেইল আই ডি তৈরি করে নিবেন। তার পর যাবেন www.youtube.com এ তার পর ক্লিক করবেন My channel এ এখন সুন্দর একটা নাম দিন আর ক্লিক করুন Create a channel এ হয়ে গেল আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেল। এখন চ্যানেল ভেরিফাই করে ফেলুন। ভেরিফাই করার জন্যে আপনাকে লগইন করতে হবে আপনার চ্যানেল এ তারপর ক্লিক করুন My channel এ তারপর ক্লিক করুন channel এ তারপর ক্লিক করুন verify এ তারপর খালি ঘরে আপনার ফোন নাম্বার টা দিয়ে দিন। যে নাম্বার টা দিয়ে আপনি আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেল ভেরিফাই করতে চান। আরও ২টা অপশন পাবেন সেখানে আপনাকে সিল্কেট করতে হবে যে আপনাকে যে তারা ভেরিফিকেশন কোড টা পাঠাবে তারা কি মেসজ করে পাঠাবে নাকি ফোন করে জানাবে। যদি মেসেজে চান তাহলে সিল্কেট করুন Text me আর যদি চান যে ফোন করে জানাক তাহলে সিল্কেট করুন Call me একটা খালি ঘর পাবেন আপনার সামনে।তার পর যে কোডটা আপনাকে পাঠাবে সেই কোড গুলো খালি ঘরে দিয়ে verify ক্লিক করলেই হয়ে যাবে ভেরিফিকেশন।

৩. ভিডিও

  এখন আপনি সিলেক্ট করুন আপনি কি নিয়ে কাজ করবেন।
আমার মতে এরকম বিষয় নিয়ে কাজ করা ভালো যেটা আপনার কাছে ভালো লাগে বা যে সম্পর্কে

 আপনি ভালো জানেন। এখন আপনি যে বিষয় সিলেক্ট করবেন সেই বিষয় এর উপর ভিডিও তৈরির জন্যে গুগল, ইউটিউবে রির্সাস করুন। আপনি যে বিষয় নিয়ে কাজ করবেন সেই বিষয় নিয়ে যারা ইউটিউবে কাজ করতেছেন তাদের ভিডিও দেখুন। চেষ্টা করুন তাদের চাইতে ভালো ভিডিও তৈরি করার জন্য না পারলেও চেষ্টা করতে থাকুন এক সময় হয়ে যাবে। ‍ভিডিও আপলোড করার জন্য আপনার youtube channel এ লগইন করতে হবে। তার ‍পর ক্লিক করুন upload এ তার পর সিল্কেট করুন আপনি যে ভিডিও আপনি ছাড়তে চান। সপ্তাহে চেষ্টা করুন কমপহ্মে ১ টা ভিডিও দেওয়ার জন্যে। আর অবশ্যই ইউনিক ভিডিও নিয়ে কাজ করবেন। যদিও অন্যের ভিডিও নিয়ে কাজ করা যায় কিন্তু সেই লেভেলে যাইতে একটু সময় লাগবে। এটা না করাই ভালো।

ইউটিউব ভিডিও এস ই ও 

 ইউটিউব থেকে আয় করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে ইউটিউব ভিডিও এস ই ও সম্পর্কে। এস ই ও সম্পর্কে জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন

ইউটিউব ভিডিওতে আপনি যা যা করে টাকা আয় করতে পারবেন।

*গুগল ইউটিউব এডসেন্স

আপনাকে আবেদন করতে হবে গুগল এডস্নেস এর জন্যে আর এডস্নেস এ এপলাই এর সময় সঠিক তথ্য দিবেন। তবে এডস্নেস পাওয়ার জন্যে আপনার চ্যানেল এর ইউটিউবের থেকে আয় ২০১৮ অনুযায়ী কিছু যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যেমন: ১ হাজার সাবস্কাইবার ও ৪ হাজার ঘন্টা এবং সেটা হতে হবে শেষ ১ বছরের ভিতরে। অথাৎ আপনার ইউটিউব এনালাইট্রিকস এ Last 1 year এ ১ হাজার সাবস্কাইবার ও ৪ হাজার ঘন্টা হতে হবে।তার পর গুগল আপনার চ্যানেল রিভিউ করে দেখবে যদি আপনার চ্যানেল গুগল এডস্নেস এর নিয়ম-নীতি অনুযায়ী ঠিক থাকে তাহলে আপনি গুগল এডস্নেস পাবেন। আর আপনি যে জি-মেইল দিয়ে এডস্নেস এ এপলাই করবেন সেই জি-মেইল এ অবশ্যই আপনার বয়স ১৮ হতে হবে এবং আপনার চেনেল এর চেনেল আইকন থাকতে হবে এডস্নেস এপ্রুভ হওয়ার জন্যে।

* বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ দেখিয়ে

  বিভিন্ন কোম্পানী আপনাকে বলবে তাদের পণ্যের সম্পর্কে আপনার ভিডিওতে বলতে আর তার জন্যে আপনাকে তারা একটা নিদিষ্ট অর্থ দিবে। এরকম অফার পেতে আপনার চেনেল অবশ্যই জনপ্রিয় এবং ভিডিও এর মান ভালো হতে হবে। চেষ্টা করতে থাকুন পেতেও পারেন।

* এফিলিয়েট মার্কেটিং করে

বিভিন্ন ওয়েব-সাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য-সামগ্রী বিক্রি হয়। যেমন: Repto, themforest আরো এমন অনেক সাইট আছে সেখানে গিয়ে আপনি রেজিস্টেশন করবেন। তারপর তারা আপনাকে একটা লিংক দিবে সেই লিংকটি আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিও এর ডিসক্রিপশনে দিয়ে ‍দিবেন। তার পর আপনার এই লিংকে গিয়ে যারা পণ্য কিনবে সেই পণ্যে মূল্য থেকে নিদিষ্ট পরিমান অর্থ আপনাকে তারা দিবে।

যেভাবে ইউটিউব থেকে টাকা তুলবেন

আপনার যখন এডস্নেস একাউন্টে ১০ ডলার হবে তখন আপনাকে গুগল একটা ভেরিফিকেশন কোড পাঠাবে আপনার কাছে ঐ ঠিকানায় যে ঠিকানা আপনি এডস্নেস এ দিয়েছিলেন। তারপর ঐ কোড দিয়ে ভেরিফিকেশন করবেন আপনার এডস্নেস। এডস্নেস এ একটা অপশন আছে ব্যাংক একাউন্ট এড করার। ব্যাংক একাউন্ট এড করার জন্যে আপনাকে লগইন করতে হবে এডস্নেস এ তারপর ক্লিক করবেন Payments a তারপর ক্লিক করবেন add payments method তারপর আপনার ব্যাংক একাউন্টের সঠিক তথ্য দিয়ে খালি ঘর পূরণ করুন। প্রথমে যোগ হবে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে তার পর ১১ থেকে ১২ তারিখে যোগ হবে আপনার এডস্নেস একাউন্টে আর ২১ তারিখে পাঠাবে আপনার ব্যাংক একাউন্টে। আর একটা কথা অনেকেই মনে করেন যে জি-মেইল একাউন্টের নাম আর ব্যাংক একাউন্টের নাম এক না হইলে টাকা উত্তোলন করা যায় না। ধারনাটা একদমি ভূল।

আর একটা কথা ইউটিউবে কপালটাও অনেক বড় বিষয় কারন আমি অনেক ইউটিউবার দেখছি যে ভিডিও এর পিছনে অনেক টাকা/সময় খরচ করেও ইউটিউব থেকে আয় করতে পারতেছে না। আবার অনেকেই নিজের পোষা বিড়াল, খেলনা দেখিয়ে একটা ইউটিউব চ্যানেল থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করতেছে।

#বোনাস টিপস্

নিয়মিত ভিডিও আপলোড দিবেন।

ভিডিওতে সবসময় সঠিক ইনফরমেশন দিবেন।
আপনার রিলেটেড চেনেলে এ কমেন্ট করুন।
বেশি বেশি সময় দিন।
ইউটিউবের নতুন নতুন আপডেট পড়ুন।
ভিডিওতে কেউ বাজে মন্তব্য করলে এতে হতাশ হবেন না।

আর কেমন লাগল ইউটিউব থেকে আয় টিউটোরিয়াল অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন

Read more

অদ্ভুত কিন্তু কার্যকর কিছু ইউটিউব চ্যানেল

সোশাল মিডিয়া মাধ্যমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউটিউব। পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে যেকোন জিনিস নিয়ে জানতে, নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ইউটিউবের জুড়ি কমই আছে। বলা হয়ে থাকে, ডিম ভাজা থেকে শুরু করে বোমা বানানো পর্যন্ত সবকিছুর পদ্ধতিই ইউটিউবে পাওয়া যায়।


হাজার হাজার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ফলো করার মতো চ্যানেল খুঁজে নেবার কাজটা বেশ কঠিন। তাই কোন বিষয় জানতে হলে কোন ইউটিউব চ্যানেলে ঢুকতে হবে, তা জানা জরুরি। এর মধ্যে কিছু চ্যানেল রয়েছে, যার কনটেন্ট খুবই অদ্ভুত, কিন্তু ঠিকমত দেখলে শেখার আছে অনেক কিছু। আজ কথা বলবো সেরকমই কিছু অদ্ভুত অথচ কার্যকর ইউটিউব চ্যানেল ো তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে:


 


১। ভেরিটাসিরাম


হ্যারি পটারের ফ্যানদের কাছে ভেরিটাসিরাম শব্দটা খুবই পরিচিত মনে হওয়াটা স্বাভাবিক। ল্যাটিন “ভেরিটাস” শব্দের অর্থ সত্য – আর তাই থেকেই এসেছে ভেরিটাসিরাম। এই চ্যানেলে মূলত পদার্থবিজ্ঞান আর ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট, আবিষ্কার আর এক্সপার্টদের সাথে ইন্টারভিউ দেখানো হয়। ‘স্লিংকি ফিজিক্স’ ভিডিও দিয়ে বিখ্যাত হওয়া এই চ্যানেলটির ফলোয়ার সংখ্যা ৪.৬ মিলিয়নেরও অধিক।


পদার্থিবিজ্ঞান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে আগ্রহী হলে এই ইউটিউব চ্যানেলটি তোমার পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে।


দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!


The 10-Minute Blog!

২। ভিসস


ভিসস আরেকটি এক্সপেরিমেন্টাল ইউটিউব চ্যানেল, যারা তোমার কল্পনাশক্তিকে বাড়িয়ে দেবে অনেকগুণ। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই চ্যানেলটির ফলোয়ার সংখ্যা এখন লাখেরও অধিক। এই চ্যানেলটির মূল কাজ হলো বিভিন্ন রকম অবাস্তব জিনিসকে বাস্তবে নিয়ে আসা। বিভিন্ন রকম রেটোরিকাল প্রশ্ন করে এই চ্যানেলটি সেইসব অবাস্তব সিনারিওকে বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করে। তাদের ভিডিওগুলো দেখলে তোমার মাথায় চিন্তা আসবে – আসলেই তো, এরকম হলে কী হতো? আর এরকম হলে যে আসলেই কী হতো, তা জানতে হলে তোমার থাকতেই হবে ভিসসের সাথে।



৩। সি জি পি গ্রে


এই চ্যানেলটি একটি ডিবাংকিং চ্যানেল, অর্থাৎ, এদের কাজ হলো বিভিন্ন রকম গুজব বা আলোচনাকে গবেষণা করে সত্য নাকি মিথ্যা, তা প্রমাণ করা। এই ইউটিউব চ্যানেলটি কপিরাইট আইন থেকে শুরু করে জ্যোতির্বিদ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন জিনিসের বিশ্লেষণ নিয়ে কাজ করে। এই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারও লক্ষের উপরে। কোন গুজব বা আলোচনার সত্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন থাকলে এই ইউটিউব চ্যানেলটি তোমাকে সাহায্য করতে পারে!


৪। মিনিটফিজিক্স


পদার্থবিজ্ঞানের উপর যাদের আগ্রহ আছে, তাঁরা অনেকেই হয়তো মিনিটফিজিক্সের নাম শুনেছো। হেনরি রাইখ তার টাইমল্যাপস ভিডিও পদ্ধতি ব্যবহার করে, এই চ্যানেলে ফিজিক্সের বিভিন্ন দুরূহ সূত্র সহজে মানুষকে বুঝিয়ে দেবার চেষ্টা করেন। শ্র্যডিঞ্জারের বিড়াল থেকে শুরু করে, হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য, সবই পাওয়া যায় মিনিটফিজিক্সে। মিনিটফিজিক্সে অতিথি বক্তা হিসেবে একটি ভিডিওতে জগদ্বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক নীল ডিগ্রেস টাইসন একটি ভিডিওতে “মহাবিশ্বের উদ্দেশ্য” সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছেন।


৫। স্মার্টার এভরি ডে


এই চ্যানেলটিও বৈশ্বিক জগতের বিভিন্ন দৈনন্দিন ঘটনাকে ফিজিক্সের সাহায্যে বর্ণনা করে। এ চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাতা একজন রকেট বিজ্ঞানী, যিনি তার নাম ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বার্থে গোপন রেখেছেন। এই চ্যানেলের মূল বৈশিষ্ট্য তাদের ব্যবহার করা হাই ডেফিনিশন ক্যামেরা যা ভিডিওগুলোকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত। 


">


আর নয় সময় নষ্ট করা!

দেখে নাও আজকের প্লে-লিস্টটি আর শিখে নাও কীভাবে সময় ভাল পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়!

১০ মিনিট স্কুলের Life Hacks সিরিজ

৬। সাই-শো


এটিও একটি বিজ্ঞানভিত্তিক চ্যানেল, যাতে প্রত্যেকটি ভিডিওতে উপস্থাপক হিসেবে একেকটি করে উদ্ভট প্রাণী আসে। ভেবে দেখো, একটা কথা বলা সজারু তোমাকে বিজ্ঞান শেখাচ্ছে! মজার সাথে কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব শিখতে এই ইউটিউব চ্যানেলটি তোমাকে সাহায্য করতে পারে। 


৭। ক্র্যাশ কেস


বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত টিউটোরিয়াল দিতে এই চ্যানেলের জুড়ি নেই। এরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকে। এদের মজার জিনিসটা হলো, এরা নিজেদের বিভিন্ন ভিডিওতে ভিন্ন ভিন্ন ইস্টার এগ আর জোক দিয়ে ভরপুর থাকে। কিছু না শিখতে চাইলে ওদের ভিডিওগুলো মজার জন্যেও দেখতে পারো।


৮। এ এস এ পি সায়েন্স


সম্ভবত বিজ্ঞানবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যানেল হলো এটি। এই চ্যানেলটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত শত ভিডিও বানিয়েছে এ পর্যন্ত এবং তারা নিয়মিত বিরতিতে বানিয়ে চলেছে ভিডিও। বিজ্ঞানের যেকোনো শাখা নিয়েই এদের ভিডিও রয়েছে। এ পর্যন্ত তাদের ভিউ সংখ্যা ১০ মিলিয়নেরও বেশি, আর তাদের এই সাফল্য সায়েন্টিফিক আমেরিকান জার্নালেও ছাপা হয়েছে।


ইংরেজি ভাষা চর্চা করতে আমাদের নতুন গ্রুপ- 10 Minute School English Language Club-এ যোগদান করতে পারো!


English Language Club!

৯। লাইফ’স বিগেস্ট কোয়েশ্চেনস


এই চ্যানেলটি বিশ্বের বিভিন্ন অপ্রকাশ্য এবং অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, এছাড়াও এরা অল্টারনেট হিস্ট্রি – বা ইতিহাসে কোনো ঘটনা অন্যরকমভাবে ঘটলে কী হতে পারত, এগুলো নিয়ে আলোচনা করে। যদি তোমার জানতে ইচ্ছে করে – নাৎসিরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জিতলে কী হতে পারতো, অথবা ডাইনোসরেরা এখনও বেঁচে থাকলে কী হতে পারত, তাহলে এই চ্যানেলটিতে একবার ঢুঁ মারতে ভুলো না।



১০। ম্যান অ্যাট আর্মস


এমন একটি চ্যানেল, যারা বিভিন্ন ঐতিহাসিক অস্ত্র, বর্ম বা অন্যান্য প্রাচীন জিনিসপত্র রিক্রিয়েট করে দেখায়। যদি দেখো কিং আর্থারের এক্সক্যালিবার, আলী (রঃ) এর জুলফিকার অথবা সামুরাই তলোয়ার মডার্ণ উপায়ে বানানো হচ্ছে, তাহলে কি মজা লাগবে না তোমার?


 


ঘুরে দেখে এসো এই ইউটিউব চ্যানেলগুলো, হয়তো জ্ঞান অর্জনের সাথে কিছু আনন্দময় স্মৃতি নিয়েও বের হয়ে আসতে পারো!


Read more
Monday, May 6, 2019
Friday, April 26, 2019
Wednesday, December 5, 2018
Saturday, October 20, 2018
Sunday, November 5, 2017
Tuesday, February 21, 2017
Thursday, February 9, 2017
Tuesday, November 15, 2016
Saturday, October 22, 2016

৫৩।ফাইজলামি করস?



আপনি করে ডাকবি।কাছে ঘেষার চেষ্টা
করবিনা কখনো।
কারণ বউছিলো পুরাই কয়লার ড্রাম।কুচকুচে
কালো তার গায়ের রং।বাসরঘরে ঢুকে
বিছানায় তাকিয়ে দেখি যেন ঠিক
একটা কালো কুকুর বসে আছে লাল ঘোমটা
দিয়ে।ঠোঁটে লাল লিপস্টিক,কপালে
ঢ্যামা একটা টিপ।
ওয়াক থু, কি বিচ্ছিরি সাজ।লাল কালোয়
কি এক অগোছালো সাজ।বাতি বন্ধ
করতেই বুঝলাম যেন একটা আধার নিয়ে
শুয়ে আছি।
নেহাৎ যৌনতার দায় সারা হয়েছিল সে
রাতে।
তারপর বিছানা থেকে তুলে
দিয়েছিলাম তাকে।
,
যৌতুক বিরোধী ছিলাম আমরা।তাই
বাবার বক্তব্য ছিলো বিনা যৌতুকে
নিজের আত্মীয়ের কারো মেয়েকে
পুত্রবধু করে আনবেন।
তাইহল।হাজারো অনিচ্ছা স্বত্তেও
বাবার গরিব বন্ধুর কালো মেয়েকে বিয়ে
করতে হল আমায়।
কলেজের সেলফি বয়ের এমন একট বউ
জুটলো, যে জীবনে বউকে নিয়ে আর
সেলফি তোলা যাবেনা।বন্ধুরা অনুরোধ
করত বউ নিয়ে বেড়াতে আসতে।কিন্তু
আমি তাকে নিতামনা।লজ্জা আছে তো
নাকি।
রাতে বাড়ি ফিরতাম দেরি করে।তখনো
সে জেগে থাকত।খাবার বেড়ে দিত।
কথা বলতামনা আমি।কিভাবে
বলি,বারে, ডিস্কোতে সুন্দরী মেয়ে
দেখে বাড়িতে কি অমন আলকাতরা
ভালোলাগে?ওর কি প্রয়োজন সেটা
কোনদিন জিজ্ঞেস করিনি।বাড়িতে
সবার কাপড় কেনাহত,খাবার তো আছেই।
আর কি চাই? এভাবেই কেটে গেল
কয়েকমাস।
,
সেদিন একবন্ধু তার গার্লফ্রেন্ডকে গিফট
দেয়ার জন্য কিছু কিনেছিল।সেটা
আমাকেই পৌছে দিতেহবে।অনেকরাত
ে গিফট বক্স নিয়ে বাড়ি ফিরলাম
আমি।দেখলাম সে সোফায় ঘুমিয়ে
গেছে।ভাবলাম খেয়েছে তো?আমি না
আসা পর্যন্ত আবার ওকে খেতে দেখিনি
কোনদিন।
শুয়ে পরলাম।কিন্তু মনটা বড় খচখচ করছে।
ডেকে তুলে বললাম,খেয়ে তারপর শুবি।
পরদিন সকালে গিফট বক্স খুজে দেখি
ওটা আর আস্তনেই।ও ওটা খুলে ভিতরে যা
ছিল ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছে।ওর
খুশি মুখ দেখে কিছু বললামনা।বেচারী।
কালো বলে কি সাজতে নেই?নিজেই
হেসেছিলাম সেদিন।
তারপর নতুন করে গিফট সাজিয়ে পৌছে
দিলাম আমি।
তারপর একদিন ও বমি করলে বুঝলাম ও মা
হতে চলেছে।
,
এক শীতের বিকেলে বাবা মা বেড়াতে
গেলেন গ্রামে।বাসায় রইলাম আমি আর
সে।
সে রাতে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলাম।
কারণ বাড়ি পুরো একা।গ্রাম্য মেয়ে।
বলা যায়না ভুতের ভয়টয় পায়নাকি।
বাসায় ফিরে শুনলাম রান্না হয়নি।কারণ
জানতে চাইলে ও বলল,ভেবেছিলাম
আপনি বন্ধুদের সাথে খাবেন।দুপুরের কিছু
ভাত ছিল।আমার হয়েযাবে।তাই,,,
ফ্রিজ খুলে দেখলাম।সামান্যই ভাত।
বললাম চল্, কাপড় পরে নে। হোটেলে
খাবি।
ও যেতে চাইলনা।আমিও রেখে যেতে
পারছিনা একা বাড়ি বলে।
অবশেষে দুজনে বাহির হলাম।রাতের শহর
ও যেন হা হয়ে দেখছিল।বললাম হাত
ধর,নাহলে ভীড়ে আবার হারিয়ে যাবি।
সেদিন প্রথম ও আমার সাথে
বেড়িয়েছিলো,প্রথম আমার হাত
ধরেছিল।
মন্দ না।আমিও ওর আঙুল ধরেছিলাম যাতে
ও হারিয়ে না যায়!!
হোটেলে আমাকে আপনি করে
বলবিনা,তুমি করে বলবি আচ্ছা?
মাথা নাড়ল ও।
কিন্তু হোটেলে খাবার সময় ও একবারো
আমায় ডাকেনি।উল্টো আমিই
বলেছিলাম,তুমি আরো কিছু খাবে!!!
,
সেদিন দেখি স্নোর টিউব কেটে স্নো
বাহির করছে।রেগে বললাম,স্নো ফুরিয়ে
গেছে বলতে পারোনা?
সেদিনই সে প্রথম আমার কাছে শ্যাম্পু
চেয়েছিল।
আমি সেদিন ওকে নিয়ে মার্কেটে
গেলাম কসমেটিকস কিনতে।
বন্ধুরা অনেকেই দেখেছিল সেদিন কিন্তু
সবাই ভাবি বলে যথেষ্ঠ রেসপেক্ট
করেছিল।সবাই তিনদিন পর আড্ডাতে
আসার জন্য অনুরোধ করছিলো ওকে।
তিনদিন পর আমিই ওকে
নিয়েগিয়েছিলাম মোটর সাইকেলে।ওর
জীবনের প্রথম লংড্রাইভ আর ড্রাইভার
ছিলাম আমি।আর আমার বউকে নিয়ে
প্রথম।
,
জীবনের প্রথম ওরজন্য আজ খোদার
দরবারে হাত তুলেছি আমি।ও যেন সুস্থ
থাকে।কারণ আজ ও মা হবে।আমি বাবা
হব।
জানিনা কোথাথেকে আজ এতো কান্না
আসছিল আমার।হাসপাতালে ওরকাছে
বারবার ছুটে যাচ্ছিলাম।ও হাতধরে
যতবার বলেছিলো ওর খুব ভয়
করছে,ততবারই বলেছি ভয় পেওনা আমি
আছি।
সেদিন ও কাউকে খুজেনি শুধু আমায়
খুজেছে।আমায় পাশে থাকতে বলেছে
বারবার।
আর আমি,বারবার পর্দার ফাকে বারবার
ওকে দেখলাম।
সিজারে নেওয়া হয়েছিলো ওকে।
সন্তান পেলাম।কিন্তু ওকে পেলামনা।
ওর দেহটা ধরে সেদিন খুব কেঁদেছিলাম।মনে
হচ্ছিলো খুব যেন নিজের কলিজাটা
ছিড়েগেছে।
আজো ওর কবরের পাশে ছুটেযাই।চিৎকার
করেরে বলি,ফিরে এসো তুমি,একটা রাত
তোমারসাথে গল্প করা বাকিছিলো, একটা
সেলফি
তোমায় নিয়ে তোলার ছিল।জানি
ওকে ভালবাসা দিতে পারিনি।কিন্তু
আজ বুঝছি কেন এখনো বুকের বামপাশটা
চিনচিন করে ব্যাথা করে।
.
- সংগ্রহীত
Read more
Friday, October 21, 2016

৫২।শরীরচর্চা ছাড়া কয়েক ধরনের সবজি রয়েছে যা খেলে পেটের মেদ ঝরে যায় খুব তাড়াতাড়ি।

শরীরচর্চা ছাড়া কয়েক ধরনের সবজি রয়েছে যা খেলে পেটের মেদ ঝরে যায় খুব তাড়াতাড়ি। জেনে নিন সেই সবজি সম্পর্কে।মরিচ: মরিচে রয়েছে এমন কেমিক্যাল যা পেটের ফ্যাট গলাতে বিশেষ সাহায্য করে।ক্যাপসিকাম: ক্যাপসিকামে রয়েছে এমন উপাদান যা মেটাবলিজমের রেটকে বাড়িয়ে দেয়। পেটের চর্বি গলাতে সাহায্য করে।পেঁয়াজ: পেঁয়াজে ক্যালোরি অনেক কম থাকে। ফলে খাবারে পেঁয়াজ থাকলে তা ফ্যাট বাড়ায় না।শশা: শশা খিদে কমিয়ে দেয়। খিদে পেলে একটা শশা ও খানিকটা জল খেয়ে নিন। খিদে চলে যাবে, একইসঙ্গে শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন দূর হয়ে যাবে।সবুজ সবজি: পালংশাক, বাধাকপি, ব্রকোলি ইত্যাদি ফ্য়াট কমাতে সাহায্য করে। ওজন কমানোর হলে এগুলি অবশ্যই থাকুক খাবার তালিকায়।কুমড়ো: পেটের চর্বি গলাতে চাইলে কুমড়ো খাওয়া অভ্যাস করুন। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ অ্যাক্টিভ থাকতে সাহায্য করবে।টম্যোটো: এতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ক্য়ালশিয়াম। এই দুটি জিনিসই ফ্যাট বাড়তে দেয় না, উপরন্তু কমায়। এছাড়া টম্যাটো ক্য়ানসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।শিম: শিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও প্রোটিন যা চর্বি গলাতে সাহায্য করে।গাজর: গাজরে রয়েছে বিটা-ক্য়ারোটিন ও ফাইবার যা ফ্যাট গলাতে সাহায্য করে।- See more at: Click This Link
Read more
Monday, September 12, 2016

৫১।যে জঘণ্য কাজটি করলে আপনার ঘরে হতে পারে হিজড়া সন্তান ..

অনেক সময় দেখা যায় হিজড়া সন্তানের জন্ম হয়েছে। এর কি কোনো বিশেষ কারণ রয়েছে? অর্থাৎ কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা? চলুন জেনে নিই,
হিজড়া জন্ম হওয়ার কারণ
:হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ হিজড়ারা জীনদের সন্তান। কোন এক বাক্তি আব্বাস (রাঃ) কে প্রশ্ন করেছিলেন এটা কেমন করে হতে পারে। জবাবে তিনি বলেছিলেন “আল্লাহ্ ও রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন যে মানুষ যেন তার স্ত্রীর মাসিক স্রাব চলাকালে যৌন সংগম না করে”, সুতরাং কোন মহিলার সঙ্গে তার ঋতুস্রাব হলে শয়তান তার আগে থাকে এবং সেই শয়তান দারা ঐ মহিলা গর্ববতী হয় ও হিজড়া সন্তান প্রসব করে। (মানুষ ও জীন এর যৌথ মিলনজাত সন্তানকে ইসলাম এ বলা হয় “খুন্নাস”)।প্রমানসুত্রঃ সূরা বানী ইস্রাইল- আর রাহমান -৫৪, ইবনে আবি হাতিম, হাকিম তিরমিজি।বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায়ঃ দেখা যায় XX প্যাটার্ন ডিম্বানুর সমন্বয়ে কন্যা শিশু আর XY প্যাটার্ন থেকে সৃষ্ট হয় ছেলে শিশু। ভ্রুনের পূর্ণতার স্তরগুলোতে ক্রোমোজোম প্যাটার্নের প্রভাবে ছেলে শিশুর মধ্যে অন্ডকোষ আর কন্যা শিশুর মধ্য ডিম্ব কোষ জন্ম নেয়। অন্ডকোষ থেকে নিসৃত হয় পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেন এবং ডিম্ব কোষ থেকে নিসৃত হয় এস্ট্রোজেন। এক্ষেত্রে ভ্রুনের বিকাশকালে নিষিক্তকরণ ও বিভাজনের ফলে বেশকিছু অস্বাভাবিক প্যাটার্নের সৃষ্টি হয় যেমন XXY অথবা XYY। এর ফলে বিভিন্ন গঠনের হিজড়া শিশুর জন্ম হয়।
একটা ব্যাপার হল, একটি হিজড়া শিশুকে পরিণত বয়সে যাওয়ার আগে যদি যথযথ মেডিকেল ট্রিটমেন্ট করা হয় তাহলে বেশীভাগ ক্ষেত্রেই তাকে সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু যখন বোঝা যায় সে সাধারণ আর দশজনের থেকে আলাদা তখন আসলে অনেক দেরী হয়ে যায়। একইভাবে কোন পুরুষ বা নারীও হিজড়া হতে পারেন।

Read more

৫০।যে কারণে মশা শুধু আপনাকেই কামড়ায় !

আমাদের আশেপাশে অনেকেই বসে আছে, কিন্তু মশাগুলো কেন শুধু আপনাকে কামড়াচ্ছে । কেন আপনি একাই শুধু ওদের লক্ষ্য আপনাকে রক্তশূন্যকরা! যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে যখন বললেন, তখন হয়তো আশপাশের কেউ হেসে বলে উঠল- ‘আরে, আপনার রক্ত মিষ্টি বলেই মশা খাচ্ছে ’কিন্তু জেনে নিন আসল কারণটা কী ?এই বিষয়ে দুবাইয়ের অ্যাস্টার মেডিক্যাল সেন্টারের ফিজিসিয়ান ড. এস রামকুমার জানালেন এর কারণ সম্পর্কে। তিনি জানান, মশার ঘ্রাণশক্তি খুব প্রখর। আর তাই এরা মানুষের গায়ের গন্ধ ভালোভাবে শুঁকতে পারে। তা সে সুগন্ধ হোক অথবা দুর্গন্ধ। গন্ধ শুঁকেই শিকার পছন্দ করে মশা।
‘মশা পশুদের চেয়ে মানুষের গায়ে হুল ফোটাতে বেশি পছন্দ করে। এর কারণ মানুষের জিন ও গায়ের গন্ধ। মানুষের ত্বকে ‘সুলকাটন’ নামে এক ধরনের ক্যামিক্যাল থাকে, যা মশাকে আকর্ষণ করে।’ এ ছাড়া কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ও অক্টেনল নামের এক ধরনের কেমিক্যালের কারণেও মশার আক্রমণের শিকার হয় মানুষ। রামকুমার জানান, যেসব মানুষ ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়ে, যাদের ত্বকে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেশি, গর্ভবতী নারী এবং যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’ তারাই মশাদের পছন্দের তালিকায় থাকে। এ ছাড়া যারা কড়া সুগন্ধি ব্যবহার করেন, বেশি ঘামেন এবং শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকে তাদেরও হুল ফোটাতে পছন্দ করে মশা। তাই বলে যদি ভেবে থাকেন মশা শুধু মানুষকেই কামড়ায়, তাহলে ভুল করবেন।
দুবাইয়ে বন্যপ্রাণী ও চিড়িয়াখানা ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. রেজা খান গালফ নিউজকে জানান, মশা মানুষ ছাড়াও প্রাণীদেরও কামড়ে থাকে। এই যেমন- ব্যাঙ। বিশেষজ্ঞরা শুধু মশার কামড়ানোর কারণই জানাননি, মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায়ও জানিয়েছেন। রামকুমার জানান, মশা যে জায়গায় কামড়িয়েছে তা না চুলকানোই ভালো। কারণ, একবার চুলকালে বারবার চুলকাতে ইচ্ছে করবে। এর ফলে ইনফেকশন হতে পারে।
তিনি জানান, মশার কামড়ানোর জায়গাটি পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। যদি জায়গাটি খুব চুলকায় ও ব্যথা করে তাহলে অ্যান্টিহিস্টামিন, স্টেরয়েডস ও অ্যানালজেসিক সমৃদ্ধ কোনো ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করুন। তিনি আরো জানান, মশার কামড়ের ফলে অনেক সময় জ্বর হতে পারে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের র‌্যাশও উঠতে পারে। তবে কোথাও বেড়াতে গেলে সেখানকার মশাবাহিত রোগগুলোও জেনে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়এখন এমন একটা আবহাওয়া, কখনও বৃষ্টি কখনও গরম। এই সময়টা গরমের প্রভাব অতিরিক্ত হয়ে থাকে। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি বিরক্তিকর উপদ্রব বাড়তে থাকে। এই বিরক্তিকর উপদ্রব হচ্ছে মশা। অতিরিক্ত গরম আর মশার যন্ত্রণার কারণে মশারির ভেতরে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
মশার স্প্রে, মশার কয়েল কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। যদি এই দুটার একটাও শেষ হয়ে যায় তাহলে তোহ রক্ষা নাই। আপনার রাতের ঘুম হারাম। কিন্তু আপনি কি জানেন খুব সহজে এই মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
আগেকার যুগে মশার কয়েল, স্প্রে তো কিছুই ছিল না। তখনকার মানুষ কিভাবে মশার হাত থেকে রক্ষা পেত? অবাক হলেও এটা সত্যি যে তারা প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়াত। ভাবচ্ছেন কিভাবে সম্ভব? তাহলে আজ জানাবো আপনাদের প্রাকৃতিক উপায়ে মশার হাত থেকে মুক্তি পাবার উপায়।
লেবু ও লবঙ্গের ব্যবহারঃএকটি গোটা লেবু খণ্ড করে কেটে নিন। এরপর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে অনেক গুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরা গুলো একটি প্লেটে করে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতে বেশ কয়েকদিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।
এই পদ্ধতিতে ঘরের মশা একেবারেই দূর হয়ে যাবে। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতে করে মশা ঘরেই ঢুকবে না।
কর্পূরের ব্যবহারঃমশা কর্পূরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যে কোন ফার্মেসিতে গিয়ে কর্পূরের ট্যাবলেট কিনে নিতে পারেন। একটি ৫০ গ্রামের কর্পূরের ট্যাবলেট একটি ছোট বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। তাৎক্ষণিকভাবেই মশা গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পানি পরিবর্তন করে নিন। আগের পানিটুকু ফেলে দিবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।
রসুনের স্প্রেঃরসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায়। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মেশান। মিশ্রণটি একটি বোতলে ভরে শরীরের যেসব স্থানে মশারা কামড়াতে পারে সেসব স্থানে স্প্রে করুন। এতে করে যে কোন ধরণের রক্ত চোষারা আপনার ধারে কাছেও আসবেনা।
নিমের তেলের ব্যবহারঃনিমের মশা তাড়ানোর বিশেষ একটি গুণ রয়েছে। নিমের তেল ত্বকের জন্যও বেশ ভালো। তাই একসাথে দুটি উপকার পেতে ব্যবহার করতে পারেন নিমের তেল। সমপরিমাণ নিমের তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। দেখবেন মশা আপনার ধারে কাছে ভিড়বে না এবং সেই সাথে ত্বকের অ্যালার্জি, ইনফেকশন জনিত নানা সমস্যাও দূর হবে।
পুদিনার ব্যবহারঃজার্নাল অফ বায়োরিসোর্স টেকনোলোজির গবেষণা মতে তুলসির মতো পুদিনা পাতারও রয়েছে মশা দূরে রাখার ক্ষমতা। শুধু মশাই নয় পুদিনার গন্ধ অনেক ধরণের পোকামাকড়কে ঘর থেকে দূরে রাখে। পুদিনা পাতা ছেঁচে নিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এই পানির ভাপ পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন ঘরের সব মশা পালিয়েছে। চাইলে পুদিনার তেলও গায়ে মাখতে পারেন।
জানেন কি ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ করবে মশা !যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা বলছেন, তারা এক ধরনের জেনেটিক্যালি মডিফাইড (জিএম) মশা উদ্ভাবন করেছেনঃ যা ম্যালেরিয়া সংক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। মূলত, বিশেষ এক ধরনের মশার কামড়ে মানবদেহে ম্যালেরিয়া ছড়ায়। এই ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রতিরোধ করতে উদ্ভাবিত এই মশাই কার্যকর মাধ্যম হতে পারে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।
নতুন এই মশার উদ্ভাবন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা যেসব মশা মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া ছড়ায়, তাদের ডিএনএর মধ্যে এক ধরনের নতুন ‘প্রতিরোধমূলক’ জিন প্রবেশ করান।
তারা আশা করছেন, জিএম মশা অন্যর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে মিলিত হয়ে মশার জন্ম দিলে সেগুলোও ম্যালেরিয়া সংক্রমণ মুক্ত হতে পারে। আর এসব মশার কামড়ে মানুষের দেহে সংক্রমন প্রবেশ করবে না।
প্রসঙ্গত, গোটা বিশ্বে ৩.২ বিলিয়ন মানুষ (প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা) ম্যালেরিয়া ঝুঁকিতে রয়েছে। মশারি, কীটনাশক, রেপেলেন্ট ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী মশার কামড় রোধে সাহায্য করে। সংক্রমণে আক্রান্তদের ওষুধও দেওয়া যেতে পারে। তারপরও প্রতিবছর এ রোগে বিশ্বে ৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।
ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে নতুন উপায় খুঁজে বের করতে কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা মনে করেন, তাদের জিএম মশা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণূ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা ভারতের ‘অ্যানোফেলিস স্টেফেনসি’ নামক এক ধরনের মশার উপর গবেষণা চালাচ্ছেন
Read more

Contact Form

Name

Email *

Message *

 

About Author

Recent Comments