Some Important Website

বাংলা প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট সমুহ

Tuesday, April 27, 2021

10 HandDraw Vintage Motorcycle Badges ////vector elements of infographics and user interface Free Download

 10 HandDraw Vintage Motorcycle Badges


10 HandDraw Vintage Motorcycle Badges its Handdraw and transparant background, really great for motorcycle logos, signs , tshirt, poster etc. Layered ,able to customize and editable text

include with :

  • 10 HandDraw Vintage Motorcycle Badges with LAYERED (editable text )
  • PSD format
  • Only free fonts were used. (include font on download file)
  • Please check note ".txt" before work with this badges :)

used adobe Photoshop cs2 for editable text


Download Link Click Here


vector elements of infographics and user interface

vector elements of infographics and user interface

100% vector shape. Fully editable in Illustrator.

Only free font were used.

All items are well organized and layered.

FONT:

QUICKSAND


Download Link Click Here








Read more
Friday, April 16, 2021

অনলাইন ইনকাম – অনলাইনে আয়ের দারুন উপায় (২০২১ ট্রিক্স )

 অনলাইন ইনকাম ২০২১ (Online Income):  আপনি কি একজন ছাত্র? নাকি চাকরিজিবি? এই পোষ্টটি তাহলে আপনার জন্যই। আপনি যদি আমাদেরকে ফলো করেন তাহলে আপনি পড়ালেখার বা চাকরির পাশাপাশি অনলাইন হতে বাড়তি ইনকাম করতে পারেন। আসলে বর্তমানে অনলাইনে আয় এর জন্য বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে ।

সব গুলোর মধ্য থেকে আমি আজকে আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে সবচেয়ে সহজে আপনি অনলাইন হতে ইনকাম করতে পারেন। অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়


আমার আজকের এই পোস্টটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা নিজের পেশার পাশাপাশি অনলাইন ইনকাম করতে আগ্রহী। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এবং যারা ছোট- চাকরি করেন। আমি জানি এক ছাত্র ছাত্রী যখন স্কুল-কলেজ পাড়ি দিয়ে ইউনিভার্সিটি লেভেলে ভর্তি হয়। বেশিরভাগ মফস্বলের ছাত্র ছাত্রীদের যে অবস্থা থাকে, আমি সেই অবস্থার মধ্যে ছিলাম। সে সময় থাকে না কোন আয় এর উপায় । ফ্যামিলি থেকে টাকা নিতে গেলেও পড়তে হয় নানান লজ্জায় । নিজেকে তখন অনেক ছোট মনে হয়। এই ভেবে যে আমি একজন ইউনিভার্সিটির ছাত্র অথচ বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে পড়ালেখা করি।

আমার আজকের এই টিউনটি উৎসর্গ করলাম তাদের যারা পড়াশুনা বা চাকরির পাশাপাশি অবসরসময়কে কাজে লাগিয়ে  পড়ালেখার পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে অথবা অন্যন্য কাজের পাশাপাশি টাকা ইনকাম করতে চান কিন্তু মাধ্যম খুজে পান না।

তো বন্ধুরা আপনি অনলাইনে আয় করতে চান বা না চান ,  আশা করি এই তথ্যগুলি আপনার জানা প্রয়োজন। এই আর্টিকেল এর প্রত্যেকটি প্যারাগ্রাফ-ই গুরুত্বপূর্ণ তাই কোন অংশ বাদ না দিয়ে সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল।


আসলে কি অনলাইন ইনকাম সম্ভব

অনেকে ভাবেন যে অনলাইনে কি ইনকাম করা যায়? যারা এখনো এই প্রশ্নের মধ্যে আছেন আমি তাদেরকে বলছি, আপনারা বর্তমান সময়ের সাথে মিলিয়ে চলতে পারেন নি। কেননা বর্তমান সময়ে যে বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে বিভিন্ন কাজ করে রোজগার করা যায় সেটা আর কারো অজানা নয়। যাইহোক কথা না বাড়িয়ে চলে যাচ্ছি আসল কথায়।

আপনি যদি একজন ছাত্র বা একজন ব্যবসায়ী অথবা একজন চাকরিজীবী ও হন। আপনার পড়ালেখা ব্যবসা বা চাকরির পাশাপাশি কিছু সময় করে প্রতিদিন অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে যে আপনি যে কথাগুলো বলছেন আপনি কত টাকা ইনকাম করেন । রাইট, আমি কত টাকা ইনকাম করি সেটা আমি এই পোষ্টের নিচে দিয়ে দেবো শুধু আপনাদের অনুপ্রেরণার জন্য।

যে পন্থা গুলো অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই এবং অল্প সময়ের মধ্যে অনলাইন হতে ইনকাম শুরু করতে পারবেন আমি শুধুমাত্র সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব। কেননা বর্তমানে অনলাইন থেকে আয় করার জন্য হিউজ পরিমান এ কাজ রয়েছে ।

বন্ধুরা, যে কাজটি করলে খুবই সহজে টাকা ইনকাম করা যায় আমি শুধুমাত্র সেই গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে সহজ উপায়।

 

অনলাইনে আয় এর সবচেয়ে সহজ উপায়

অনলাইন থেকে কিভাবে আয় করা যায় ? অনলাইন ইনকামের মাধ্যম গুলির মধ্যে যতগুলো বিষয় নিচে যুক্ত করেছি এই সবগুলো থেকে আপনি আয় করতে পারবেন। নিচের যে কয়টা অপশন আমি দিয়েছি সবগুলোতেই আমি চেষ্টা করেছি কিন্তু আমি প্রথম যে অপশনটা রয়েছে ব্লগিং বর্তমানে আমি একজন প্রফেশনাল ব্লগার হিসেবে নিয়োজিত আছি।

কত টাকা ইনকাম করি আপনাদের কে কথা দিয়েছি আমি এই পোষ্টের নিচে দিয়ে দেব শুধুমাত্র অনুপ্রেরণার জন্য। তার আগে আমরা আলোচনা করে নিই কিছু অনলাইন ইনকাম ট্রিক্স- যা জানা আপনার একান্ত প্রয়োজন।

1. ব্লগিং এর মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম (Blogging)

অনলাইনে আয় করার জন্য বর্তমানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যত ধরনের কাজ আছে তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ এবং ভালো পরিমাণে ইনকাম করার পদ্ধতি হচ্ছে ব্লগিং করে ইনকাম করা।


একটি ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট বা ব্লগঃ

ব্লগিং করে অনলাইনে ইনকাম করতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে একটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট বা ব্লগ। যেখান থেকে আপনি বিভিন্ন মাধ্যম এপ্লাই করে ইনকাম করতে পারবেন। আরেকটি ব্লগ তৈরী করার পর আরও কিছু জিনিসের প্রয়োজন রয়েছে যেমন ব্লগের ভিজিটর আনতে হবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর লিংক। এগুলো পরিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করলেই আপনার অনলাইন ইনকাম শুরু হবে। এবং করতে পারবেন আনলিমিটেড ইনকাম।

ব্লগ বা ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে এই রিসার্চগুলো পড়ার পরামর্শ রইলঃ

ক) ব্লগিং কি কিভাবে শুরু করতে হয়।

খ) বাংলা ভাষায় পূর্ণাঙ্গ ব্লগিং টিউটোরিয়াল।

গ) কিভাবে বিনামূল্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি ডোমেইন এবং একটি ওয়েব হোস্টিং। ডোমেইন এবং ওয়েব হোস্টিং থাকলে আপনি নিজে নিজেই আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। এছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য একটি ওয়েব প্ল্যাটফর্ম অর্থাৎ CMS (Content Management System) এর পয়োজন হয়।

ডোমেইন এবং ওয়েব হোষ্টিং সম্পর্কে বিস্তারিতঃ

ক) ডোমেইন কি ? কিভাবে রেজিস্টার করতে হয়।

খ) একটি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার সময় যে যে বিষয়গুলি লক্ষ্য রাখা উচিত। 

গ) ওয়েব হোষ্টিং কি ? হোষ্টিং নির্বাচনের জন্য যে যে বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখা উচিত।

অর্থাৎ একটি ডোমেইন,  ওয়েব হোস্টিং এবং সিএমএস দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

ক) ওয়ার্ডপ্রেস নাকি ব্লগার কোনটি দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন

ক) ব্লগার দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার টিউটরিয়াল

গ) ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্নাঙ্গ টিউটোরিয়াল

ব্লগে ভিজিটর আনতে হবে

মনে করুন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেছেন এখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে প্রয়োজন হবে ভিজিটরের। শুধুমাত্র আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকলেই সেখান থেকে ইনকাম করা সম্ভব নয় যদি সে ওয়েবসাইটে ভিজিটর না থাকে। ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট বিষয় হচ্ছে ভিজিটর। আপনার ওয়েবসাইটের যতদিন থাকবে আপনি তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার জন্য আপনাকে কিছু কিছু এসইও ট্রিক্স শিখতে হবে। আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করবেন তখন আপনার ওয়েবসাইটে আস্তে আস্তে ভিজিটর আসা শুরু করবে। এবং আপনার কাজের সাথে সাথে ভিজিটরের পরিমাণ বাড়তে থাকবে এবং আপনার ইনকাম এর পরিমাণ বাড়তে থাকবে।

ক) কিভাবে একটি নতুন ব্লগে ভিজিটর আনবেন

খ) এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল

আপনি যদি এই কাজগুলো ইতিমধ্যে করে থাকেন ব্লগিং করে ইনকাম করার জন্য আপনার সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এখন ইনকাম করার পালা। ব্লগিং করে ইনকাম করার জন্য নিচের মাধ্যমগুলো এপ্লাই করতে পারেন।

গুগল এডসেন্স একাউন্ট

ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অনলাইন ইনকাম করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ উপায় হচ্ছে গুগল এডসেন্স। এটি গুগলের একটি বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্ম। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে খুব সহজেই গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে আপনি যদি গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে গুগোল অ্যাডসেন্সে নীতিমালাগুলো অবশ্যই আপনাকে মেনে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।

গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে আর্টিকেল রয়েছে আপনি সেটাই পড়া নিতে পারেন।

গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল হওয়ার পর টাকা কিভাবে তুলবেন ? গুগল এডসেন্স একাউন্টে যখন 100 ডলার পূর্ণ হবে তখনই শুধুমাত্র পেমেন্ট পাবেন। গুগল এডসেন্স সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে দিয়ে থাকে এর জন্য আপনাকে পেমেন্ট এর জন্য আবেদন করতে হয় না।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে প্রতিমাসে 10 হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে আয় করবেন বিস্তারিত।

এফিলিয়েট লিংক বা প্রমোশন

গুগল এডসেন্স ছাড়াও আপনি চাইলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং বা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য ব্লগিং করলে সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রোডাক্ট রিলেটেড আর্টিকেল লিখতে হবে ।  সেখান থেকে প্রোডাক্ট বিক্রি করার এফিলিয়েট লিঙ্ক দিয়ে দিতে হবে। যখনই আপনার এফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করে কেউ কোন প্রোডাক্ট কিনবে তখন আপনি সেখান থেকে কমিশন পাবেন । এটি হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং বা প্রমোশন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে। 

ব্যানার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়

আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং সেটাতে ভালো পরিমাণে ভিজিটর থাকে তাহলে আপনি চাইলেই ব্যানার বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।

ব্যানার বিজ্ঞাপন এর মাধ্য অনলাইন ইনকাম পদ্ধতিঃ আপনার ওয়েবসাইটে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পণ্যের বিজ্ঞাপন ব্যানারে দিবে । আপনি সেটিকে আপনার ওয়েবসাইটের যেকোনো একটি স্থানে প্লেস করবেন। এবং এডভারটাইজার এর কাছ থেকে সাপ্তাহিক বা মাসিক টাকা নিবেন।

স্পন্সর বিজ্ঞাপন বা প্রমোশনের মাধ্যমে আয়

স্পন্সর বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে অনলাইন ইনকামের পদ্ধতি হলো: আপনার ওয়েব সাইটে যে কোন স্পন্সর বা ব্যক্তি এসে কোন প্রোডাক্ট বা পণ্য রিলেটেড আর্টিকেল দিয়ে যাবে এবং সেটি আপনার ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশ করতে হবে। এর বিপরীতে সেই স্পন্সর আপনাকে প্রতি আর্টিকেল অনুযায়ী অথবা মাস হিসেবে টাকা দিয়ে দেবে।

ই-কমার্স এর মাধ্যমে আয়

ই-কমার্স হলো আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজস্ব পণ্য বিক্রি করে ইনকাম করার নাম। অর্থাৎ আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং সেটিতে বিভিন্ন প্রোডাক্ট দিয়ে সাজিয়ে শব্দ তৈরি করে সেখান থেকে প্রোডাক্ট বিক্রি করেন। সেখান থেকেও আপনি ভালো পরিমানে আয় করতে পারবেন।

বেশকিছু ই-কমার্স ওয়েবসাইট হলো যেমন, আমাজন ডট কম, আলি এক্সপ্রেস ডট কম, দারাজ ডট কম, ই-ভ্যালি ডট কম ইত্যামি

আপনার ব্যক্তিগত একটি ওয়েবসাইট, এবং টাকা ইনকাম করার জন্য এফিলিয়েট লিংক অথবা গুগল এডসেন্স দিয়ে আয় করুন। আপনি যদি ব্লগিং করে ইনকাম করতে চান লিংকঃ বাংলায় পূর্ণাঙ্গ ব্লগিং টিউটরিয়াল [অনলাইনে আয়]


২ ।Freelancing – একজন লেখক হয়ে

অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে Freelancing একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। Freelancing করে বর্তমানে বাংলাদেশের হাজার হাজার লোক ঘরে বসে অনলাইন হতে টাকা আয় করছে। তাছাড়া বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কাজে লাগানোর জন্য Freelancing বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর ব্যবস্থা চালু করেছে। অনেকে সেই সমস্ত সরকারী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে Freelancing এর মাধ্যমে মাসে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা ইনকাম করে স্বাবলম্বি হচ্ছে।

Freelancing হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে অনলাইন হতে টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে সে বিষয়ে ভালোমানের আর্টিকেল লিখে Freelancing এর কাজ করতে পারবেন। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা ইনকামের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।


০৪। Adsense থেকে টাকা আয়

Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলকে ভালোমানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং ব্লগে বা ইউটিউব চ্যানেলে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এগুলো অবশ্যই পড়বেন -
এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে কিংবা ইউটিউব ভিডিওতে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approve করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approve হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা ইনকাম করে যেতে পারবেন।
Adsense থেকে টাকা আয়

০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer)

আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলোতে জয়েন করার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে। তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা আয় করতে হবে।
প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে অনলাইনে আয়

০৬। EBAY and AMAZON এ Products বিক্রি

আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয়, তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভালোমানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভালো দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।
EBAY and AMAZON এ Products বিক্রির মাধ্যমে আয়

০৭। গ্রাফিকস ডিজাইন

অনলাইনে গ্রাফিকস ডিজাইনের চাহিদা প্রচুর পরিমানে রয়েছে। অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন একটি ভালো উপায়। যারা এই কাজে দক্ষ, তারা বিভিন্ন ডিজাইন বিষিয়ক অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে তাদের নিজেস্ব ডিজাইন দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাদের ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের পছন্দ হলে কিনে নেয়। এ ধরনের একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়। গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কাজটি আপনি প্রাথমিকভাবে এডোবি ফটোশপ থেকে শুরু করতে পারেন।
গ্রাফিকস ডিজাইন করে অনলাইনে আয়

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম
ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। অনলাইনে গ্রাহক টানা, প্রচার করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি।

ওয়েব ডিজাইন
এখনকার অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। কোনো প্রজেক্টে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। সব ব্যবসায়ী প্রযুক্তিপ্রেমী নন। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাঁদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে। যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা ও হালনাগাদের জন্যও ওয়েব ডিজাইনারকে দরকার পড়ে। ফলে ডিজাইনারকে বসে থাকতে হয় না। ক্লায়েন্ট ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ওয়েব ডিজাইনারের আয় বাড়তে থাকে।

কনটেন্ট রাইটিং
যাঁরা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।

Read more
Saturday, October 10, 2020

টপ ০৭ মুভি ডাউনলোড

 

Top 07 Movie Download Link
1.Extraction Movie 

http://botemoda.com/2DHJ

2.Saaho (Hindi)
http://botemoda.com/2GDG
3.K.G.F (Hindi)
http://botemoda.com/2GJh
4.Action (Hindi Dubbed)
http://botemoda.com/2GPc
5.Serious Man (Hindi)
http://botemoda.com/2GTA
6.Expiry Date (Hindi)
http://botemoda.com/2GYk
7.Dil bechara (S.S.R Hindi)
http://botemoda.com/2Gfs

Read more
Saturday, June 1, 2019

টিকটক এপ কি ?সেরা ১০ উপায়ে টিকটক থেকে আয় করুন |অনলাইন থেকে আয় ২০১৯

TikTok একটি এন্ড্রয়েড app , যা সবচেয়ে ভাইরাল ভিডিয়ো শেয়রিং এপ । এটি এমন একটি এপ যেখানে আপনি ছোট ছোট ফানি টিক টক ভিডিও বানিয়ে আপলোড করে সেই ভিডিও গুলি অন্য লোকেদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন। কিছুটা, ইউটিউবের মতোই কিন্তু আবার ইউটিউবের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। TikTok এপ্লিকেশন ব্যবহার করে একজন ৫ থেকে ১৫ সেকেন্ড বা ৫ থেকে ৬০ সেকেন্ড এর ভেতরের শর্ট ভিডিও (কমেডি,ভিডিও গান ,অভিনয় ইত্যাদি) বানিয়ে প্রচার বা শেয়ার করতে পারবেন।


আপনি যদি ভিডিও না বানাতেও চান তাহলেও সমস্যা নেই। TikTok এ Vine এর মতো আগের থেকে বানানো ফানি ভিডিও, কমেডি ভিডিও, entertainment videos দেখেই আপনার সময় কেটে যাবে । ফেসবুক ,Youtube এর মতো ভিডিয়ো শেয়রিং এপ। Tiktok app এর মাধ্যমে লোকেরা নিজের ভিতরের আর্টিস্ট (artist) বা মনের ভাব বিভিন্ন রকমের ভিডিওর মাধ্যমে লোকেদের সাথে শেয়ার করেন। তবে তাদের ভিতর কিছু কার্টুনিষ্টও পাওয়া যায় যা আপনাকে বেপক বিনোদন দিবে ।


আপনি TikTok এর অনেক ভালো ভালো features ব্যবহার করে আকর্ষণীয় ভিডিও বানাতে পারবেন সহজেই । এখানে বিশেষভাবে, entertainment videosfunny videocomedy video এবং এক্টিং ভিডিও (acting video)বানিয়ে লোকেরা আপলোড করে থাকে ।


টিকটকে লোকেরা ভিডিও বানিয়ে বানিয়ে নিজেকে অনেক বিখ্যাত (famous) বানিয়ে নিচ্ছেন । যেমন : AVNEET KAUR , MANJUL KHATTAR ইত্যাদি। কিছুদিন আগে Manjul Khattar এর একটি ভিডিও গান ও রিলিজ হয়েছিল। আজ অনেক টিক টক আর্টিস্ট (artist) রয়েছেন যাদের অনেকেই চিনে। তাই, নিজেকে ভিডিওর মাধ্যমে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় বানানোর tiktok অনেক ভালো মাধ্যম।


এখন আসি আসল কথায় , টিকটকে ভিডিও বানিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন আপনি । জি , এইটাই সত্যি এবং অনেক Tiktok user রাই ভিডিও বানিয়ে টাকা ইনকাম করছেন। কিন্তু, এই ক্ষেত্রে আপনার হতে হবে অনেক ক্রিয়েটিভ (creative) তথা সৃজনশীল । একইরকম ভিডিও কতই বা দেখবে মানুষ ।


টিকটক (tiktok app) এর ইতিহাস ও অর্জন :


অক্টোবর ২০১৮ সালে U.S এর সবথেকে বেশি ডাউনলোড হওয়া app হিসেবে tiktok কে দেখা গেছে। TikTok app সবচেয়ে আগে ২০১৬ সালে চীন (china) দেশে সেপ্টেম্বর মাসে launch হয়েছিল । কিন্তু তখন তার নাম “douying” হিসেবে রাখা হয়েছিল। তারপর ১ বছর পর tiktok নাম দিয়ে মার্কেটে এই app প্রচার করা হলো।TikTok সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত, প্রচলিত এবং সেরা short video platform হিসেবে আজ মার্কেটে দাঁড়িয়ে রয়েছে।


টিকটক থেকে টাকা আয় করার উপায় :


ইন্টারনেটে সার্চ করে বা লোকমুখে আমরা শুনেছি যে টিকটকে ভিডিও বানিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়। এটি সত্যি, যে টিকটক থেকে আয় করা যায় । উপায় :


উপায় ১ : TikTok এ ব্রান্ডিং করে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ২ : TikTok ফলোয়ারদের ইকমার্স সাইটে জেনারেট করে ইনকাম করতে পারেন । কৌশলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন ।


উপায় ৩ : TikTok এ পেইড প্রমোশন করে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ৪ : TikTok এ নিজস্ব কাপড়ের ব্রান্ডিং করে ইনকাম করতে পারেন । নিজস্ব ইকামর্স সাইট


উপায় ৫ : TikTok এর ফলোয়ারদের ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার বানান । পেইড ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার থেকে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ৬ : TikTok এ ব্রান্ডিং করে Youtube Channel এ Subcriber সেল করে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ৭ : TikTok এ ব্রান্ডিং করে নিজস্ব Youtube channel এর ভিউ ও Subscriber বাড়িয়ে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ৮ : TikTok এ স্পন্সরশিপের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ৯ : TikTok থেকে ব্লগ/ওয়েবসাইটে ভিজিটর পাঠিয়ে ইনকাম করতে পারেন ।


উপায় ১০ : TikTok একাউন্ট সেল করে ইনকাম করতে পারেন ।
My Tik Tok username :   @akir_hossain60


Read more
Thursday, May 23, 2019
Friday, May 17, 2019

অনেক সুন্দর গল্প

আমাদের পাড়ার মতিনের বৌ প্রচণ্ড অসুখী। অহর্নিশি সে সুখের পেছনে ছোটে। সুখের খোঁজে। সুখের আশায়। ফুল; সৌন্দর্য বিলায়, গন্ধ দান করে, মৌমাছি তা থেকে মধু আহরণ করে। এসব তার কাছে বিষয় নয়। সে ফুলের মত সুন্দর হতে চায়। পাখি; গান গায়, মানুষের মনে আনন্দ দান করে, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে, নিসর্গের ছবি হয়ে উঠে। তাতে তার কিছু এসে যায় না। সে ময়না বা টিয়ের মত দেখতে সুন্দর হতে চায়, মুক্ত আকাশে উড়তে চায়। সে চায় ঝর্ণা নদী বা সাগরের মত বয়ে চলতে, উচ্ছল হতে, কমনীয় হতে। কিন্তু উদার হতে কি? এই চাওয়া আর পাওয়ার মাঝে সুখ খোঁজে। এটাই তার কাংখিত সুখ পাখি। সে সুখ পাখিকে মনের খাঁচায় বন্দি করে আপন আত্মাকে পরিপূর্ণ করে রাখতে চায়। তাতে কার এলো বা গেল দেখার সময় নেই। শুধু অক্লান্ত পাখির পিছনে ছোটে; কিন্তু কেন যেন পাখিকে কিছুতেই ধরতে পারে না। যতই না পারে ততই অস্থিরতা বাড়ে। কিন্তু কেন? কেন সে অসুখী? সে কি আরও কিছু চায়? কিন্তু তার তো অভাব নেই। রূপ যৌবন অর্থ, সবই তার আছে। সে সুন্দরী, কিন্তু আরও সুন্দরী হতে চায়। সে তার নৌকোর মত চোখ, রংধনুর মত ভ্রæ, হাতে গড়া প্রতিমার মত মাজা-ঘসা দেহের ভাঁজ আর বাঁকগুলো আরও আকর্ষনীয় করে তুলতে চায়। গরিব ঘরের ¯^ামীর ভাল চাকরির বদৌলতে ভাল আর্থিক অবস্থার আরও উন্নতি চায়। সুখী হতে এগুলো তার হিমালয়ের চূড়াকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার বাস্তবতায় বিভোর হতে চায়।
সবকিছু হাতের নাগালে এসেও যেন সব অধরাই থেকে যায়। তাই কোথায় যেন তার অতৃপ্তি। বোধহয় তাই সে অসুখি। আর এ সুখের জন্যে সে সব রকম ত্যাগ ¯^ীকার করতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে সে তার কলা-কৌশল, রূপ-যৌবন, আচার-আচরণ আর টাকা-পয়সা সব কিছুকে ষোল আনার বেলায় আঠারআনা কাজে লাগাতে প্রস্তুত। শুধু প্রস্তুতই নয়। কাজে লাগিয়ে যাচ্ছে, পাঁচ পাঁচটি বছর ধরে। সে তার সেই আঠারআনাকে উসুল করে চব্বিশ ঘন্টা ধরে। সকালে ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে রাতে বিছানায় গিয়ে ঘুমান পর্যন্ত।

নিজের আকাংখাকে সে বিস্ফোরিত করে আপন ইচ্ছায়। তাতে কেউ অগ্নিদগ্ধ হলো বা পটল তুললো দেখার সময় নেই। এমন হাজার আকাংখার একটিকে টাইমবোমার মত সংসারের মাঝে ফেলে দিব্বি বসে বসে তামাসা দেখছে গত সাত দিন ধরে। বাড়ির কর্তাব্যক্তি থেকে শুরু করে চাকর-বাকর সকলকে নির্ঘুম করে রেখেছে। আজ সন্ধ্যায় বিস্ফোরণ। নিজের সুখ সৃষ্টির উল্লাসে যে ধ্বংস হয় হোক ।

গত সাত দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কচি ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে তার দিন শুরু হচ্ছে। রূপচর্চার বিদেশি সামগ্রি, হাল ফ্যাসানের উপযোগি পোষাক, নিত্য নতুন গহনা তার ঠিক ঠিক চাই, আছেও। দাম্পত্য জীবন পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও সন্তানের মা হতে চায়নি। পাছে ফিগার নষ্ট হবে। চুলোর পিঠে সে কখনও যায় না। এ সাত দিন তো প্রশ্নয় উঠে না। আগুনের আঁচে ত্বক ঝলসে লাবণ্যতা নষ্ট হবে। চাকর-বাকর ছাড়া সে বাড়িতে রান্না ধোয়া মোছা অসম্ভব হলেও, এই মহিলা এই সব নি¤œশ্রেনীর মানুষদের মানুষ বলে গন্য করে না। যাতে করে মাথায় উঠে কঁঠাল ভাঙ্গার সুযোগ না পায়। তাই সার্বক্ষণিক তীর্যক বাক্যবানে তাদের ধরাশায়ি করে রাখে। তাদের কাঁহাতোক সব কাজেই তার সুন্দর মুখ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে। যদিও সে কিছুই বোঝে না সেটা তার সৌন্দর্যে কতটা নি¤œমুখি প্রভাব ফেলতে পারে।

সকাল আট’টা বাজে। বেড রুমের দরজায় কড়া নেড়ে বোয়া ডাকে, খালা, ও খালা, উডেন। আফনাগো কুডুম আইছে। 
মতিনের বৌ ঠাস করে দরজা খোলে। কে এসেছে? তুমি জান না? আমি ন’টার আগে উঠি না। কাল রাতেই তো বলে রেখেছিলাম , আজ আমার প্রোগ্রাম আছে দশটার আগে ডেকো না। 
আফনের মামী-শাশুরি আইছে, হের বড় বিপদ, হের ছুডোমায়াডা খুব অসুস্থ্য, হাসপাতালে ভর্তিক করুন লাগবো। হাত খালি, কিছু ট্যাকা চায়। হে ডরোইন রুমে বইয়া আছে। কী করুম খালা, কত্ত কইরা কইলাম, হুনলো না। খুব নাকি বিপ... 
বোয়া, মুখে মুখে কথা বলবে না। তার সমস্যা আগে না আমারটা আগে? এ্যাঁহ? যাও বলো, দেখা হবে না। রাগে মতিনের বৌ এর মুখ ফুলে উঠে। গজগজ করে, যতসব ফকির-মিসকিনের দল। মিথ্যুক, সাত-সকালে বাহানা করে টাকা বাগানোর ফন্দি। চিৎকার দিয়ে বলে, বোয়া পানি গরম দিয়েছ? ডাব? ডাব রেডি কর। যাও, আর ওনাকে চলে যেতে বল। এখন দেখা হবে না। আর শোন, একটা হাফ বইল্ড ডিম, মাখন দিয়ে দুই ¯øাইচ পাউরুটি, খানিকটা ফ্রেন্স ফ্রাইট, দু’পিস চিকেন ফ্রাইট আর এক গ্লাস গরম দুধ, পরে এক মগ গরম কফি খাব। এর বেশি কুছুই খাব না। ডাক্তার বলেছে ওজন বেড়ে যাচ্ছে। টিক দশটায় জিম করতে যাব। 

পাড়া-প্রতিবেশী এবং আত্মীয়র সাথে তার সম্পর্কটা এমনই। গরিব অশিক্ষিতদের প্রকাশ্যে ঘৃণা করে। কথায় কথায় তাদের ছোটলোক, চামার, চাষা বলে গালাগার করে। তার বক্তব্য পরিস্কার ওদের মত আমি মিথ্যুক, লোভী আর চরিত্রহীন নই। ধনীদের কথা উঠলে হিংসায় মরে। তাদের চৌদ্দ নম্বর আয়-রোজগারের কথা বলে মিথ্যে শান্তনা খোঁজে। মধ্যবিত্তের উপর প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা। ¯^ামী পক্ষের দুঃসম্পর্কের আত্মীয় তো বটেই নিকটাত্মীয়রাও তার বাড়ি যেতে চায় না। সবাই ঘৃনা করে খানে-দজ্জালের মত ব্যবহার বলে। অবশ্য তার ভাষ্য ভিন্ন। তার মতে এসব আত্মীয়, আত্মীয় নয়, চান্ডাল। এরা ম্যানার জানে না। তবে তার নিজ বাবা-মা, ভাই-বোনদের বেলায় এই নিয়ম শিথিলই নয় অ¯^াভাবিকভাবে উল্টো। 

আজ দুপুরে মতিনের বৌ পার্লার থেকে মাধুরি কাট করে আনা চুলে কন্ডিশোন করেছে। চুল সিল্কেরমত ফুরফুর করছে। দুপুরে ঘুমানোর চেষ্টা করেও নানা উত্তেজনায় ঘুম হল না। বিকালে ফেস স্টিমিং করছিল ত্বকের লাবণ্যতা বাড়ানোর জন্যে। সেসময় আর এক সুন্দরী প্রতিযোগী বাসায় এলো। মনে মনে মহাক্ষিপ্ত। আসার আর সময় পেল না। সৌজন্য কিছু কথা হল। তবে তার নিখুত সাজসজ্জা, আকর্ষনীয় চেহারা দেখে সে মনে মনে হিংসায় জ্বলে মরছিল। খুব বিরক্ত হচ্ছিল। আড়ালে যেয়ে এক ফাঁকে ঠোঁটের এক কোনা বাঁকা করে নিঃশাসের সাথে নাকের ভিতর থেকে শব্দ করে, হুঃ। ভেংচি কেটে ক্ষুত বের করে বলে আপনার নাকটা বোঁচা, তা কী খেয়াল করেছেন? ভদ্রমহিলা শুধু বলেছিল, আল্লাহ্র দান, কী আর করা। তো ঠিক আছে সন্ধায় দেখা হবে।

advertisement

লেখাপড়া জানা এই মহিলা ঘষে মেজে ইন্টারমিডিয়েট। তাতে তার মাটিতে পা পড়ে না। তার ইংরেজি বলার জন্যে পেটে বোমা মারার দরকার হয় না। তবে হাই হ্যালো বাট সো হোয়াট সরি-র বাইরে যেতে পারে না। এগুলো সে বাক্যের আগে মাঝে বা শেষে হর হামেশা ব্যবহার করে। চাল-চলন, হাব-ভাবে নিজেকে হাই সোসাইটির একজন সদস্যা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা সর্বদায় লক্ষ্য করা যায় এবং নিজেকে পরিচয় দেয়, আমি মিস জেরিন। যাদও প্রকৃত নাম জরিনা বেগম।

অথচ আমাদের মতিন কী ভেড়ার ভেড়া। ছাগল বা গরুও। গরিব মানুষের ছেলে। হালে ¯^ল্প বেতনের মোটা উপরি পাওয়া চাকরির জোরেই মনে যেটুকু জোর। ওই বা কী করবে। ওর এমন বড় তোরের গলা নয় যে এর প্রতিবাদ করবে। বুকের পাটা এমন চওড়া নয় যে এগুলো প্রতিহত করবে। ঘারের উপর কটা মাথা যে বিদ্রোহ করবে? দূর্বল ব্যক্তিত্বের কারণে মতিন মানুষ হয়েও মেরুদণ্ডহীন প্রাণী কেঁচোর মত জীবন যাপন করে। পক্ষান্তরে অহংকারী গৃহবধূ উচ্চাভিলাসী নীতির কারণে বিষধর সাপ হায়ে মতিনের সংসার নীল দংশনে জর্জরিত করে যাচ্ছে। শুধুমাত্র বৌয়ের কারণে মতিন মিত্রহীন, অর্থহীন, ভেগাবণ্ডে পরিণত হয়েছে।

সবখানেই জেরিনের হস্তক্ষেপ, খবরদারি। সবকিছুই তার নিয়ন্ত্রনে। যা চায় তাই পায়। টাকা চাই তো, টাকা। ক্ষমতা চাই তো, ক্ষমতা। ¯^ীকৃতি চাই তো, তাই। তার পরও তার খাই খাই ভাব। পেট ভরে তো মন ভরে না, মন ভরে তো চোখ ভরে না। আরও চাই। তবুও তার মনে সুখ নাই। সে সুখী হতে চায়। আরও সুখী। 

আজ বিকাল থেকেই তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে আছে। প্রধান কারণ সকালেই গেস্ট, বিকালে ঘুমহয়নি। দ্বিতীয় কারণ ঔ প্রতিযোগিনী। তৃতীয়ত মতিন বায়না ধরেছে বিউটি কনটেস্টে যাবে কিন্তু সে তাকে নেবে না। কেননা মতিন কার্টেসি জানে না। সে তার ছোট বোনকে নিয়ে এসেছে, তার সাথে যাবে। ঘুম না হওয়ায় চোখ লাল হয়ে আছে। মুখটা বিশ্রিরকমের ফুলে আছে। রাগে ক্ষোভে তার অনুষ্ঠানেই যেতে ইচ্ছে করছে না। যত ঝামেলা আজই হতে শুরু করলো। অথচ আজ কিনা তার জীবন-মরণের এসিড টেস্ট।

কিন্তু মিস জেরিনের ধারণা, সে এটেণ্ড করলেই সুনিশ্চিৎ চাম্পিয়ন। কে আছে তার ধারে কাছে? কেউ নেই। অতএব সব সমস্যাকে ফুতকারে উড়িয়ে দিয়ে বুক ফুলিয়ে অনুষ্ঠানে গেল। একটুপর সন্ধ্যায় শহরে এক ব্যতিক্রমধর্মী বিউটি কনটেস্ট শরু হবে। ‘মিস সিটি বিউটি কনটেস্ট’। আকর্ষণীয় পুরস্কার। আমাদের মতিনের বৌ অংশ গ্রহন করবে বলে গত সাত দিন তার নাভিশ্বাস উঠেছে। সে মিস সিটি হলে তার সুখের আর একমাত্রা যোগ হবে।

প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সমাজের উচ্চ-বিত্ত ক্ষমতাবানরা এবং নামি-দামি তারকারা উপস্থিত। বিখ্যাত ব্যাক্তিত্বরা বিচরক মণ্ডলী। সে চাম্পিয়ন হবে, গন্যমান্যদের হাত থেকে ট্রফি নেবে, সমাজে নাম ফুটে ঊঠবে, ভাবতেই তার মাঝে মাঝে বুকের ভিতর বলক দিতে থাকে। প্রতিযোগীতার শেষ দিকে তাকে খুব উৎসাহিত মনে হল। 
এবার ফলাফল ঘোষণার পালা। একে একে তৃতীয়, দ্বিতীয়, দ্বিতীয় রানার-আপ এবং প্রথম রানার-আপ এর নাম ঘোসণা করা হলো। মিস জেরিন খুব হাসি-খুশি, ফুরফুরে মেজাজে আছে। সে ধরেই নিয়েছে এতক্ষণ যেহেতু তার নাম ঘোষণায় আসেনি; এবার তার নাম আসবে মিস সিটি হিসেবে। কিন্তু মিস জেরিনের নাম আসে না। মিস সিটি হলো সেই বিকেলের ক্ষুতঅলা মেয়েটি। শোকে-দুঃখে মিস জেরিন মূর্ছিতা গেল। এক সময় জানা গেলো সে ষোলজনের মধ্যে পনেরতম হয়েছে। কেউ কেউ টিজ করলো, ভাগ্যিস ষোলতম হননি। সে জ্ঞান ফিরে পাবার পর নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান তাকে শান্তনা দিতে লাগলেন, মিস! কনটেস্ট যেমন তেমন আপনার এস এম এস স্কোর নি¤œ পর্যায়ে। শুভাকাংখীরা আপনার পক্ষে কোন ভোটই করেনি। লেগে থাকুন। পরেরবার চেষ্টা করুন।
যাই হোক সেদিন প্রায় রাত বারটার দিকে ব্যর্থ মিস সিটি তার নিজ বোনের সাথে ভাঙা মন নিয়ে রিক্সাযোগে বাড়ি ফিরছিলো। পথিমধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট থাকায় ছিনতাইকারীর হাতে পড়লো। তারা গান পয়েন্টে মিস জেরিনের গহনাপত্র হাতিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে তাকে নামিয়ে নিতে যাবে এমন সময় পুলিশের বাঁশির শব্দে পেয়ে দুষ্কৃতিকারীরা পালিয়ে গেল।

অবশেষে মান-সম্মান, গহনাগাটি সবকিছু খুইয়ে বাসায় পৌঁছল। সবকিছু শুনে মতিন কোন মন্তব্য না করে বিছানায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। কিন্তু কিছুতেই মিস জেরিনের ঘুম আসছিল না। প্রচন্ড মাথা ব্যথা। বুকের ধরফরানি ভয়াবহভাবে বেড়েছে। সে শুধু এপাশ ওপাশ করতে লাগলো। এমনটা নতুন কিছু নয়। প্রায়ই তার এমন হয়। মাইগ্রেইন আছে। সে দুটো নাপা-এক্সট্রা ও একটা ডরমিকাম খেয়ে ফের বিছানায় গেল। কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। তার অস্থিরতা বেড়েই চললো।
তখন খোলা জনালা দিয়ে একাদশির জোসনা এসে মতিনের সরল ¯^াভাবিক শান্ত মুখকে আরও সুন্দর ও নিশ্চিন্ত করে তুলছিল। তার নাক ডাকার মিহি শব্দে জেরিন তাকে লক্ষ্য করলো। মনে হল জোসনার নরম আলোর সাথে পাল্লা দিয়ে মতিনও নরম রূপালী হাসি হাসছে। সে বিরক্ত হয়ে কনুই দিয়ে ঘুতো মেরে জাগিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, হাসছো কেন? 
মতিন তন্দ্রাচ্ছন্ন চোখে শুধু তুলতুলে পাতলা হাসি দিয়ে বললো, কই? নাহ, তেমন কিছু না। এই একটা ¯^প্ন দেখছিলাম আরকি।
ব্যর্থ মিস সিটি অগ্নিমূর্তি ধারণ করে বললো, সত্যিকরে বল, কী দেখছিলে, নিশ্চয় কোন বড় লটারীর পুরস্কার পেয়েছ!
না, না। একটা পাখি মানে পায়রা, আরে শান্তির পায়রার সাথে হঠাৎ বন্ধুত্ব হয়ে গেল। তার সাথে ঐ মেঘমুক্ত ধূসর আকাশে জোসনায় সাঁতার কাটছিলাম, মানে উড়ছিলাম।
এবার বাজখাঁই আওয়াজ হলো, ভন্ডামী রাখ, তুমি হাসছিলে কেন, তাই বল।
জোসনার মত হাসি দিয়ে মতিন বললো, পায়রাটা বলছিল কী, ‘যে আত্মা সর্বদা অতৃপ্ত বা অপূর্ণ থাকে সুখ পাখি সেখানে বাস করে না’। 

Read more

Contact Form

Name

Email *

Message *

 

About Author

Recent Comments